ব্রা পরে অস্বস্তি লাগা, কাঁধে দাগ পড়া, ব্যাক পেইন, শ্বাস নিতে ভারী লাগা, বা কাপ গ্যাপ/স্পিল—এসব সমস্যাকে আমরা অনেক সময় নরমাল ধরে নিই। কিন্তু বাস্তবে, এগুলোর মূল কারণ খুবই কমন—ভুল ব্রা সাইজ।
একটা ভুল সাইজের ব্রা শরীরের জন্য শুধু অস্বস্তিকরই না, সময়ের সাথে এটা রক্তসঞ্চালন ব্যাহত করতে পারে, স্কিনে র্যাশ বা দাগ ফেলতে পারে, এমনকি সাপোর্ট না পাওয়ার কারণে স্যাগিনেসও বাড়াতে পারে।
অন্যদিকে, সঠিক সাইজের ব্রা শরীরকে প্রয়োজনীয় সাপোর্ট দেয়, লুক ভালো রাখে, আর সারাদিন কমফোর্ট ও কনফিডেন্স নিশ্চিত করে।
এই ব্লগে আমরা দেখবো—কীভাবে আপনি ঘরে বসেই, খুব সহজভাবে নিজের সঠিক ব্রা সাইজ বের করতে পারেন।
কী কী লাগবে?
-
একটি মেজারমেন্ট টেপ (ফিতা)
-
পাতলা বা নন-প্যাডেড ব্রা (বা চাইলে বেয়ার স্কিন)
-
আয়না (ঐচ্ছিক, কিন্তু হেল্পফুল)
Step 1: আন্ডারবাস্ট মাপা (Band Size)
সোজা হয়ে দাঁড়ান, শরীর রিল্যাক্স রাখুন।
মেজারমেন্ট টেপটি বুকের নিচে, রিব কেজের চারপাশে পেঁচান।
খেয়াল রাখবেন—
-
টেপ যেন শরীরের সাথে ফিট থাকে
-
খুব টাইট না, আবার ঢিলাও না
-
এক আঙুল ঢোকানোর মতো জায়গা থাকলেই ঠিক
-
টেপ যেন পুরোটা সময় মাটির সাথে প্যারালেল থাকে
ধরুন আপনার মাপ এল ২৮ ইঞ্চি।
এখন হিসাবটা এমন—
-
মাপ জোড় সংখ্যা হলে → ৪ ইঞ্চি যোগ করবেন
-
মাপ বেজোড় হলে → ৫ ইঞ্চি যোগ করবেন
উদাহরণ:
-
২৮ + ৪ = ৩২
-
২৯ + ৫ = ৩৪
এই সংখ্যাটাই আপনার Band Size।
Step 2: বাস্ট মাপা (Bust Size)
এবার টেপ নিন বুকের সবচেয়ে ফুলার জায়গায় (নিপল এরিয়ার উপর দিয়ে)।
টেপ টানটান থাকবে, কিন্তু প্রেস করবে না।
ধরুন এখানে মাপ এল ৩৬ ইঞ্চি।
এটাই আপনার Bust Size।
Step 3: কাপ সাইজ বের করা (Cup Size)
এখন সবচেয়ে সহজ অংশ—
Bust Size – Band Size = Cup Difference
উদাহরণ:
৩৬ – ৩২ = ৪ ইঞ্চি
ডিফারেন্স অনুযায়ী কাপ সাইজ হবে—
-
০ ইঞ্চি → AA কাপ
-
১ ইঞ্চি → A কাপ
-
২ ইঞ্চি → B কাপ
-
৩ ইঞ্চি → C কাপ
-
৪ ইঞ্চি → D কাপ
-
৫ ইঞ্চি → DD / E কাপ
তাহলে আপনার ফাইনাল সাইজ হলো: 32D
এই সহজ ৩টা ধাপ ফলো করলেই আপনি
নিজের সঠিক ব্রা সাইজ ঘরে বসেই জানতে পারবেন।
মনে রাখবেন
ব্রা সাইজ শুধু নাম্বার না,
এটা আপনার কমফোর্ট, হেলথ আর কনফিডেন্সের সাথে সরাসরি জড়িত।